এই ত’থ্যগুলো জানা থাকলে স্ত্রী সহাবাসের আগে ও পরে কাজে লাগবে ১০০%

১। পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃ’প্তির স’ঙ্গে স’ঙ্গে তারও দৈহিক ও মা’নসিক তৃ’প্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃ’প্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।

Advertisements

২। কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতে হবে।

৩। চু’ম্বন, আলি’ঙ্গন, নি’পীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার স’ঙ্গে স’হবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরু’ষের কর্তব্য।

৪। না’রী ধীরে ধীরে আত্নসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার স’ঙ্গে কখনও স’হবাসে লি’প্ত হওয়া উচিত নয়।

৫। না’রী কখনও নিজের যৌ’ন উ’ত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।

৬। না’রীর কর্তৃব্য সর্বদা পতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।

৭। পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। স’হবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বির’ক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বির’ক্তি জাগতে পারে।

৮। না’রীর কর্তৃব্য স্বা’মীর চু’ম্বন, দংশন ও আলি’ঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।

৯। না’রীর পূর্ণ কা’মভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।

১০। না’রীর উ’ত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃ’প্ত হয়। পুরু’ষের উ’ত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই না’রীর পূর্ণ কা’মভাব না জাগিয়ে স’ঙ্গ’মে মি’লিত হলে না’রী পূর্ণ তৃ’প্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে না’রী পূর্ণ তৃ’প্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরু’ষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।

স্ত্রী’কে দ্রু’ত তৃ’প্তির উপায়

১। গালে ঠোঁ’টে ঘন ঘন চু’ম্বন করা।

২। স্ত্রীর ঊরুদেশ জো’রে জো’রে মৈথুনের আগে ঘ’র্ষণ করা।

৩। সম্ভোগের আগে যো’নিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘ’র্ষণ করা।

৪। ভগাঙ্কুর মর্দন।

৫। মৈথুনকালে স্ত’ন মর্দ্দন।

৬। সহাবাসের আগে যদি পু’রুষাঙ্গের আগায় খুব সামান্য পরিমাণ কর্পূর লাগানো হয় তবে স্ত্রী দ্রু’ত তৃ’প্তি লাভ ক’রে থাকে। তবে কর্পূর যেন বেশি না হয়, তাতে স্ত্রী যো’নি ও পু’রুষাঙ্গ জ্বলন অনুভূত হ’তে পারে।

স’হবাসের কাল

১। মে’য়েদের একটু ঘুমোবার পর রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর শ্রেষ্ঠ মৈথুন সময়।

২। দিনের বেলা স’হবাস নি’ষিদ্ধ।

৩। ভোরবেলা স’হবাস শ’রীরের পক্ষে ক্ষ’তিকর হ’তে পারে।

৪। গুরু ভোজনের পর স’ঙ্গে স’ঙ্গে স’হবাস নি’ষিদ্ধ।

৫। ক্রুদ্ধ বা চিন্তিত মেজাজে স্ত্রী স’হবাস উচিত নয়। প্রফুল্ল মনে স’হবাস উচিত।

কোন ঋতু মৈথুনের পক্ষে কতটা উপযোগী তার বিচার করা হচ্ছে।

ক। বসন্তকাল-৯০%।

খ। শরৎকাল-৭০%।

গ। বর্ষাকাল-৫০%।

ঘ। হেমন্তকাল-৪০%।

ঙ। গ্রীষ্মকাল-৩০%।

চ। শীতকাল-২০%।

প্রহরণ বা মৃদু প্রহার

মৈথুনকালে মৃদু প্রহার-শৃঙ্গারও কামের একটি অ’ঙ্গ হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।

কথাটা শুনতে অনেকটা আশ্চার্য্য বোধ হয়, কিন্তু কামসূত্রে তার ব্যাখ্যা প্রদত্ত হয়েছে।

না’রী কিছুটা উৎপীড়িত হ’তে চায় যৌ’ন মি’লনে-তাই মনোবিজ্ঞান স্বীকার করে যে, পুরু’ষ কিছুটা উৎপীড়ন করতে পারে না’রীকে।

কিন্তু প্রহরণ ঠিক শৃঙ্গার নয়-কারণ মি’লনের আগে এর প্রয়োজন নেই।

পূর্ণ মি’লনের সময় আ’নন্দ বৃ’দ্ধির জন্যে পুরু’ষ ধীরে ধীরে না’রী-দে’হের কোমল অংশে মৃদু প্রহার করতে পারে।

পুরু’ষ অথ্যাচারী-মনোবিজ্ঞানের মতে যে প্রহার করা হয় তা আ’নন্দের। তাই বলে এতে দু’জনেই যে আ’নন্দ পাবে এমন নয়। এটা দু’জনের মা’নসিক অবস্থার উপর নির্ভর করে।

প্রহরণের মধ্যে আবার প্রকারভেদ আছে-

১। মুষ্টি প্রহার-হাত মুষ্টি বদ্ধ করে দে’হের বিভিন্ন অংশে মৃদু প্রহরণ।

২। চপেটাঘাত (হাত খুলে রেখে ধীরে ধীরে।)

৩। দু’টি অ’ঙ্গু’লির সাহায্যে প্রহরণ।

৪। প্রহরণ ও সংবহন মিশ্রিত করে প্রহরণ।

মর্দন বা সংবাহন

যদিও মর্দন শৃঙ্গার কালে মাঝে মাঝে হয়- তবে এই মর্দন প্রকৃত শৃঙ্গার নয়।

মর্দন বেশি হয় রতিকালে বা রতির পূর্বে।

না’রীদেরহর কোমল অংশে যেমন স্ত’ন, নিতম্ব, ঊরুদ্বয় প্রভৃতির মর্দন হ’য়ে থাকে।

রতিক্রিয়াকালে স্ত’ন ও নিতম্ব মর্দন করেও পুরু’ষ ও না’রী উভ’য়ে আ’নন্দ পায় বলে বাৎস্যায়ন বলেছেন।

তবে যারা পছন্দ করেন তাঁরাই এটা করবেন। যদি একজন বা দু’জনেই পছন্দ না করেন তবে এর প্রয়োজন নেই।

ঔপরিষ্ঠক বা মুখমেহন

মুখমেহন স্বাভাবিক মি’লন হিসাবে বাৎস্যায়ন স্বীকার করেন নি। স্বা’মী-স্ত্রীর মধ্যে এটি সর্বদা চলতে পারে না। তবু শাস্ত্রে এটি উল্লিখিত হয়েছে।

শাস্ত্রে উল্লিখিত হবার অর্থ অবশ্য এই নয় যে, এটি খুব ভাল আসন বা এটি সম্মান পেয়েছে। শাস্ত্রে কেবল এটাকে একটি অস্বাভাবিক মি’লন বলেই এর নাম উল্লিখিত হয়েছে।

ভারতের কোন কোন জাতির মধ্যে ঔপরিষ্ঠক স্বীকৃত ও বেশ প্রচলিত-কিন্তু তাই বলেই তাকে উচ্চ স্থান দেওয়া হয় না।

মুখমেহন সব পণ্ডিতের মতেই ঘৃন্য-তাই এ বি’ষয়ে বেশি আলোচনা করা হলো না।

বাৎস্যায়ন বলেন না’রী শুধু তিনটি শ্রেণীরই নয়-তাছাড়াও আছে আর এক শ্রেণী-তার নাম হলো নপুংষক শ্রেণী।

এই নপুংষক শ্রেণীর যো’নি ঠিকমত গঠিত নয়-তাই এদের স’ঙ্গে যৌ’ন ক্রিয়া সম্ভব নয়। এদের দ্বারা কেবল মুখমেহন করানো চরতে পারে।

এই শ্রেণীর নপুংষক অনেক সময় অর্থের বিনিময়ে মুখমেহনে রাজী হয়।

এই মুখমেহন আট প্রকার হ’য়ে থাক-

১। নিমিত-এতে নপুংষক তার করতলে পু’রুষাঙ্গ ধরে আসে- আসে- তার ওষ্ঠাধারে ঘ’র্ষণ করে।

২। পার্শ্ব-লি’ঙ্গ মুণ্ডের আবরণ খুলে আসে- আসে- মুখে প্রবেশ করানো।

৩। বহিঃসংদংশন্তদাঁত ও ঠোঁট দিয়ে পু’রুষাঙ্গের আবরণ উন্মোচন।

৪। পু’রুষাঙ্গ বারে বারে মুখের ভে’তরে নেওয়া ও বের করা। বহুক্ষণ এরূপ করা।

৫। অন্তঃসংদংশন্তওষ্ঠাধর দিয়ে চোষণ করা।

৬। জিহ্বা দ্বারা চোষণ।

৭। আম্রচোষণ-পু’রুষাঙ্গ আম্রের মত চোষণ করা।

৮। আকন্ঠীত-সম্‌সত পরুষাঙ্গ গিলে ফেলার মত।

মুখের মধ্যে সুরতের স’ঙ্গে স’ঙ্গে আলি’ঙ্গনাদিও চলতে পারে।

অনেক নীচজাতীয়া না’রীদের দ্বারা এ কাজ করানো যেতে পারে।

কামশাস্ত্রে মুখে সুরত নি’ষিদ্ধ। তবে অনেকে এটি পছন্দ করেন।-বা কোন রাবাঙ্গনা রাজী হলে তার দ্বারা এটি করান। কিন্তু অন্তঃপুর চারিনীদের এটি করা উচিত নয়।

স’হবাসের পরের কথা

স’হবাসের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দু’ধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। স’হবাসে কিছু শ’ক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়। অন্যথায় স’হবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও ক’ষ্টকর না হয়। পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরু’ষ অচিরেই শ’ক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশ’ক্তি লোপ পায়।

অত্যধিক মৈথুনের জন্য হজমশ’ক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রো’গ দেখা দেয়। এই সমস্ত রো’গের হাত থেকে নিশ্চিত ভাবে নিষকৃতির জন্য মৈথুনের পর দুগ্ধ পান অত্যাবশ্যাক। অবস্থায় সম্ভব হলে নিম্নের টোটকাগু’লি ব্যবহার করলে ভ’য়ের কারণ থাকবে না।

(১) বাদাম দুই তোলা ভালভাবে বেটে নিয়ে তা মিশ্রি সংযোগে মৈথুনের পর গরম করে খেলে বিশেষ উপকার হয়।

(২) দুতোলা ঘি, দু তোলা মিশ্রি কিংবা গুড়ের স’ঙ্গে মিশিয়ে সেবন করলে সহজে ক্ষয় পূরণ হয়।

(৩) মুগের ডাল ভালভাবে বেটে নিয়ে ভেজে নিন, পরে মিশ্রি কিংবা চিনি মিশিয়ে নাড়ার মত করে চার তোলার মত মৈথুনের পর খেয়ে নিলে উপকার হয়।

স’হবাসের স’ঙ্গে স’ঙ্গে পু’রুষাঙ্গ ধৌত করলে নপুংষকতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য রতিক্রিয়ার কিছু সময় পরে পু’রুষাঙ্গ ধৌত করা বিধেয়। এ বি’ষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত।

স’হবাসের পর দে’হের বি’ষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বি’ষয়ে শাস্ত্রে কতগু’লি নিয়ম বিধিবন্ধ আছে। আমরা তা একে একে আলোচনা করছি।

১। স’হবাসের পর দু’জনের কিছুক্ষণ প’রস্পর সংলগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মা’নসিক তৃ’প্তি হয়। ধীরে ধীরে দে’হ শীতল হয়। এতে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হ’য়ে থাকে।

২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌ’না’ঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।

৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের ্লান করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।

৪। শর্করা মিশ্রিত এক গ্লাস জল কিঞ্চিৎ লেবুর রস বা দধি কিংবা শুধু ঠাণ্ডা জল কিছু খেতে হবে। এতে শ’রীরের মঙ্গল করে।

৫। প্রয়োজন হরে কোন পেটেন্ট ঔষধ সেব করা যাইতে পারে।

৬। স’হবাসের পর ঘুম একান্ত আবশ্যক-তদাই শেষ রাতে স’হবাস বাঞ্ছনীয় নয়।

৭। পরদিন প্রভাতে স্নান করা একান্ত আবশ্যক। তা না হলে মন শুচি হয় না- কর্মে প্রফুল্লতা আসে না। অন্যথায় পরদিন মন খা’রাপ থাকে, কর্মে একঘেয়েমি আসতে পারে।

৮। স’হবাস প্রারম্ভে বা শেষে নে’শা সেবন ভাল নয়। এতে দৈহিক ক্ষ’তি হয়-প্রেম দূরে যায়-মা’নসিক অসাড়তা আসতে পারে।

৯। রাত্রির প্রথম ও শেষ প্রহর বাদে মধ্যম অংশই স’হবাসের পক্ষে উৎকৃষ্ঠ সময়, এ কথা সর্বদা মনে রাখতে হবে।

১০। স’হবাসের পর অধিক রাত্রি জাগরণ, অধ্যয়ন, শো’ক প্রকাশ, ক’লহ কোন দুরূহ বি’ষয় নিয়ে গভীর চিন্তা ও মা’নসিক কোন উ’ত্তেজনা ভাল নয়।

সফল মৈথুন

এবারে আমরা একটি প্রয়োজনীয় বি’ষয় নিয়ে আলোচনা করব তা সফল মৈথুন।

এমন প্রশ্ন অনেকে করতে পারে-মৈথুন আবার সফল অ-সফল কি? যথারীতি নর-না’রীর মি’লন। দৈহিক মি’লনের পরিপূর্ণ আ’নন্দ ও রেতঃপাত। এই ত মৈথুন।

আমরা বলব না, তা নয়।

তবে?

আমরা বলব শতকরা একটি কি দু’টির বেশি মৈথুন সফল মৈথুন হয় না। কেন হয় না? তা বলতে গের সফল মৈথুন কি, সে বি’ষয়ে আলোচনা করতে হয়। স্ত্রীর কামনার তৃ’প্তি কম বেশি হয়ত হয়ে থাকে। তথাপি স্ত্রী গ’র্ভবতী হ’য়ে স’ন্তানের জ’ন্মও দিতে সুরু করে, তবু তা সফল মৈথুন হয় না।

কেন?

এর উত্তর হলো শৈথুন বা রেতঃপাত অনেকেই করে থাকেন। কিন্তু সফল মৈথুন খুব অল্প জনের ভাগ্যেই ঘটে থাকে।

এবার সে বি’ষয়ে আলোচনা করব।

সফল মৈথুনের পরিচয়

যে মৈথুন করলে শা’রীরিক, মা’নসিক ও দৈহিক কোনও ক্ষ’তি হয় না। উলটে কর্মে আ’নন্দ ও একাগ্রতা আসে এবং মৈথুনের প্রতি আকর্ষণ বৃ’দ্ধি পায়; স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ বৃ’দ্ধি পায় এবং হৃদয় প্রফুল্ল ও শান্ত, ্লিগ্ধতায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে-তাকে সফল মৈথুন বলে।

সফল মৈথুনের ফল

১। মনের শান্তি পায়। মন সর্বকাজে দৃঢ় হ’য়ে থাকে ও মনের উৎসাহ বাড়ে।

২। কাজকর্মে একাগ্রতা আনে। কাজকর্মের দিকে মন সংযোগ বৃ’দ্ধি পায়।

৩। দৈহিক ও মা’নসিক তৃ’প্তির জন্যে কর্মক্ষ’মতা বৃৃদ্ধি পায়। নিজেকে গর্ব অনুভব করে।

৪। স্ত্রীর প্রতি প্রেম বৃ’দ্ধি পায় ও স্ত্রী’কে প্রকৃত ভালবাসতে পারে। স্ত্রীর আকর্ষণ আসে স্বা’মীর প্রতি।

৫। অন্য না’রীর প্রতি আকর্ষণ থাকে না।

অসফল মৈথুনের ফল

১। মনে শান্তি থাকে না। মন ধীরে ধীরে অবসাদে ভরে ওঠে। মেজাজ হ’য়ে যায় খিটখিটে।

২। সব সময় মন উ’ত্তেজিত ও বির’ক্ত থাকে।

৩। মা’নসিক দু’র্বলতা প্রযুক্ত কাজকর্মে ই’চ্ছা কমে যায়।

৪। স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা কমে আসে।

৫। পরনা’রীর প্রতি আকর্ষণজনিত চরিত্রদোষ ঘটতে পারে। প’তিতারয় গমনও ঘটতে পারে।

৬। শ’রীর ম্যাজ ম্যাজ করে-সব সময় শ’রীর ভার ভার বোধ হয়। আহার ও নিদ্রার প্রতিও আকর্ষণ কমে যায়।

৭। বায়ুর প্রাবল্য, চোখ মুখ জ্বা’লা করতে থাকে।

৮। মাথা ঘোরে ও গা বমি বমি করে।

৯। ধীরে ধীরে মৈথুনের প্রতি ঘৃণাও জ’ন্মাতে পারে।

এখন কথা হচ্ছে কি করলে মৈথুন সফল করা যায়।

মৈথুন অ-সফল হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে-উপযুক্ত পুরু’ষ ও না’রীর মি’লনের অভাব।

অ-সফল মৈথুনের কারণ

এবারে অ-সফল মৈথুনের কতকগু’লি প্রধান কারণের বি’ষয় লেখা হচ্ছে-এগু’লিও মনে মনে চিন্তা ও বিচার করে নিতে হবে।

১। মৈথুনের আগে না’রীকে উ’ত্তেজিত না করা।

২। মৈথুনে যোগ্যভাবে নিজেকে তৈরী না করা।

৩। উপযুক্ত আসন না করে মৈথুনে লি’প্ত হওয়া।

৪। শ’ক্তির অভাবে মৈথুন পূর্ণ হ’তে পারে না।

৫। অ’সুস্থ অবস্থায় মৈথুন্তএতে তত পূর্ণ আ’নন্দ হয় না। দৈহিক ক্ষ’তি করে।

৬। ঘন ঘন মৈথুন্তএটি অবশ্য পরিত্যজ্য। ইহা শ’রীরের পক্ষে ক্ষ’তিকর।

৭। অযোগ্য স্ত্রী-স্ত্রী উপযুক্ত না হলে পূর্ণ মৈথুন হয় না।

৮। অন্যান্য অসুবিধা বা মা’নসিক কারণ।

৯। স্বা’মী বা স্ত্রীর অন্য না’রী বা পুরু’ষের প্রতি গো’পন আসক্তি।

১০। প্রকৃত উ’ত্তেজনা ছাড়া মৈথুন।

উ’ত্তেজনার বিচার

এবারে প্রকৃত উ’ত্তেজনা কি ও কি তার লক্ষণ সে বি’ষয়ে বলা হচ্ছে।

উ’ত্তেজনা দুই প্রকার-(১) আসল (২) নকল বা বাহ্যিক।

যে যৌ’ন উ’ত্তেজনা সাধারণতঃ নর-না’রীর মধ্যে দেখা যায় তা প্রায়ই নকল উ’ত্তেজনা।

নকল কেন তার প্রমাণ করে দেওয়া হবে-আগে আসল উ’ত্তেজনার লক্ষণ কি তাই বলা হচ্ছে।

না’রী পুরু’ষকে বা পুরু’ষ না’রীকে কাছে টেনে নিয়ে প’রস্পর উ’ত্তেজনা সৃষ্টির প্রয়াস পায় এবং তার ফলে যদি হৃদয়ে উ’ত্তেজনা জাগে তা প্রকৃত উ’ত্তেজনা নয়।

হৃদয়ে আপনা থেকেই ভাবভঙ্গীর মুখে প’রস্পরের স’ঙ্গে মি’লিত হবার দুর্দ’মনীয় কামনা যদি জাগে তবে তা হলো আসল অর্থাৎ প্রকৃত উ’ত্তেজনা।

প্রকৃত উ’ত্তেজনা সম্বন্ধে বাৎস্যায়ন বলেছেন।-

যদি কোন না’রীর স্মৃ’তি (চেহারা) বা ধ্যান ছাড়াও আপনা থেকেই হৃদয় উ’ত্তেজিত হ’য়ে উঠে, তবে তা হরো প্রকৃত উ’ত্তেজনা।

কিন্তু এ হলো সেই যুগের কথা-মানুষ যখন প্রকৃতির উপর নির্ভর করে চলতো। প্রকৃতির উপর নির্ভর করে সে নিজের মা’নসিক অবস্থা নিরূপণ করতো।

Related posts

Leave a Comment