পাত্রের অভাবে বিয়ে হচ্ছে না এই গ্রামের অর্ধেক কুমারীর!

হ্যাঁ উপরে যা পড়লেন তা পুরোপুরি সত্য। এটি এমন একটি গ্রাম যেখানে শুধু সুন্দরী কুমারীদের বসবাস। সেখানে নেই কোন পুরুষ। আর তাই পাত্রের অভাবে বিয়ে হচ্ছে না সেসব সুন্দরী নারীদের। তাই এ গ্রামের সুন্দরী কুমারীরা পাত্রদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে!

Advertisements

নোওয়া ডে করডেরিয়ো গ্রামের নাম। দুই পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত একটি গ্রাম। স্থানটি যতটাই সুন্দর গ্রামের মেয়েরাও ঠিক ততটাই সুন্দর। এখানে বসবাসকারী যুবতীরা নিজেদের জন্য পাত্রের সন্ধান শুরু করে দিয়েছে। তবে তাদের শর্ত হলো বিয়ের পর বরকেও তাদের সাথে এই গ্রামে থাকতে হবে।

আপাদাত ৬০০ জনের মধ্যে ৩০০ জন নারী যোগ্য পুরুষদের বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। গ্রামে থাকতে দেওয়ার শর্তে যে, পুরুষ রাজি হবে, সুন্দরীর মেয়েরা তাদের বিয়ে করতে আগ্রহী রয়েছে। কেননা তারা গ্রামের বাইরে বসবাস করবে না। আবার সেই গ্রামে নেই কোন পুরুষ । তাই যেসব পুরুষ তাদের সাথে ওই গ্রামের বসবাস করবে সুন্দরীর নারীরা তাদেরকেই বিয়ে করবে।

দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের নোওয়া ডে করডেরিয়ো গ্রামের কথা শুনছেন এতক্ষণ। এই গ্রামের বাসিন্দা ৬০০ এরও বেশি নারী। মাত্র কয়েকজন নারী বিবাহিত রয়েছেন। তারাও কখনো গ্রাম ছাড়েন নি। সপ্তাহ শেষে মাত্র ২ দিনের জন্য তাদের স্বামীর তাদের কাছে আসে।

ওই গ্রামের কুমারীরা বিয়ের জন্য উন্মুখ হলেও পাত্রের সংকটের জন্য তা সম্ভব হচ্ছে না। গ্রামে ১৮ হতে ৩০ বছর বয়সী কুমারী নারীর সংখ্যাই বেশি। এই গ্রামে নারীর জন্য বিয়ের অবিবাহিত পাত্র পাওয়া যেন খড়ের মধ্যে সুঁচ খোজার মতই কঠিন। এখানকার মেয়েরা যতই চেষ্টা করুক না কেন বিয়ের জন্য তারা অবিবাহিত ছেলে খুঁজে পায় না।

এই গ্রামের বয়স ১২৮ বছরে মত তারপরও বাহিরের কোন গ্রামের সাথে এই গ্রামের কোন সর্ম্পক নেই। এই গ্রামের মেয়েরা ছেলেদের উপরে কোনভাবেই নির্ভরশীল নয়। সেখানকার নারীর আত্মনির্ভরশীল, আর তাদের এই কাজটিতে সাহস ও পথ দেখিয়েছেন মারিয়া সেলেনা ডেলিমা। ১৮৯০ সালে এক মেয়ে তার ইচ্ছার বিরু’দ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়।

এরপর ওই মেয়ে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে নিজের গ্রামে চলে আসেন। সেই মেয়ের নাম হলো মারিয়া সেনহোরিনা ডে লিমা। এই মেয়েটিই এই গ্রামের গোড়া পত্তন করেন ১৮৯১ সালে।

Related posts

Leave a Comment