অবশেষে এই বছর বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক ম্যাচ অপেক্ষা করছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে একমাত্র বাংলাদেশ এবং ভারত বাদে।

Advertisements

ঠিক কবে নাগাদ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল অনুশীলনের নামতে পারবে এটাও এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছেনা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কিছুটা হলেও উন্নতি হচ্ছে।

পরিস্থিতি উন্নত হলেও বর্তমানে বাংলাদেশের কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেই। সর্বশেষ এশিয়া কাপ স্তগিত হওয়ার কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আর কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারছে না বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সঠিক সময় হবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সন্দেহ।

যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত না হয় তাহলে এই বছর প্রায় পুরোটাই বসে থাকতে হবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে। কিন্তু নতুন আরও একটি পথ খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত না হওয়ায় তার পরিবর্তে শ্রীলংকা সিরিজে যাচ্ছে বাংলাদেশ।কিন্তু স্কোয়াড সাজাতে গিয়ে ভালই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বিসিবিকে বিশেষ করে তামিমের ওপেনিং পার্টনার।

৪৭ বলে ২৬ রান, বনাম নিউজিল্যান্ড, ১২৫ বলে ৯৯ রান, বনাম নিউজিল্যান্ড, ৯৫ বলে ১০৩* রান,বনাম নিউজিল্যান্ড

৪০ বলে ২৭* রান, বনাম আরব-আমিরাত, ৫৭ বলে ৪০ রান, বনাম নেপাল, ১৩৮ বলে ১২৬ রান, বনাম শ্রীলংকা

৭ বলে ১ রান, বনাম ভারত, ৩৭ বলে ৩৬ রান, বনাম ইংল্যান্ড, ৩১ বলে ৯ রান, বনাম ভারত

১০০ বলে ৮১ রান, বনাম ইংল্যান্ড, ২১ বলে ২০ রান, বনাম ভারত

৬৮ বলে ৪১ রান, বনাম ইংল্যান্ড, ১২ বলে ৯ রান বনাম, ইংল্যান্ড, ১৩৪ বলে ১০৯ রান, বনাম ভারত

মোট রান= ৭২৭, এভারেজ= ৬০.৫৮, শতক আছে = ৩ টি, ফিফটি আছে = ২ টি

উপরের পরিসংখ্যানটা আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের, সর্বশেষ ১৪ ইনিংসে ওয়ানডে ফরম্যাটে ৩ নং পজিশনে ব্যাট করা মাহামুদুল হাসান জয়ের।

জয়ের পরিসংখ্যানটা এই জন্যই তুলে ধরেছি যে, ফিউচারে আমাদের জন্য ৩ং পজিশনটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে সেটা সাকিব অবসর নিলে বুঝতে পারবো। এই ছেলেটার একটা বড় গুন হচ্ছে যদি ফিফটি করে, সেটা ১০০ তে রুপান্তর করার ক্ষমতা প্রচুর। ধৈর্য আছে অনেক ছেলেটার মধ্যে।

জয়ের মত আরেকজন প্রতিভাবান আছে, নাম অনেকের চেনা, তৌহিদ রিদয়। সর্বশেষ ১৪ ইনিংসে যার রান= ৫৫৬, এভারেজ = ৫৫.৬০, শতক= ১ টি, ফিফটি= ৫ টি। রিদয় এখন নিয়মিত ব্যাটিং করছেন ৪ নং পজিশনে।

এরকম প্রতিভাবান ক্রিকেটার গুলো আমাদের আন্ডার নাইন্টিনে এতটা আলো ছড়ায় যে, ন্যাশনাল টিমে আসলে তাদের আর খুজেই পাওয়া যায় না। আসলে, সমস্যা টা কোথায়?

তাদের বাড়তি কনফিডেন্সের ফলে প্রাকটিস কমিয়ে দেওয়া নাকি বিসিবি থেকে পরিচর্যার অভাব? আন্ডার নাইন্টিনে এরকম একজন ভিরাট-বাবর তৈরী হবার পরেও কেন তাদের অস্তিত্ব পরবর্তীতে আর খুজেই পাওয়া যায় না?